জামিল আহমেদ (লন্ডন থেকে)

ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশেপাশের এলাকা আজ ১২ই এপ্রিল ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের প্রতি সমর্থন জানাতে জড়ো হওয়া লাখো মানুষের ঢলে উত্তাল ছিল। “ফিলিস্তিনের সাথে বাংলাদেশ এক” – এই শ্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত হয়, যা বাংলাদেশের মানুষের সাথে ফিলিস্তিনিদের অটুট একাত্মতা প্রকাশ করে।
গণজাগরণের চিত্র
- সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন্দ্রীয় সমাবেশে রাজধানীবাসীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ অংশ নেন
- “তুমি কে, আমি কে, ফিলিস্তিন ফিলিস্তিন”, “গাজা আমাদের বিবেক”সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয় রাজধানী
- মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ফিলিস্তিনের পতাকা ও বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন দেখা গেছে
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট
গাজায় ইসরায়েলের নির্মম সামরিক আগ্রাসন ও ফিলিস্তিনি নারী-শিশু-বৃদ্ধদের ওপর চলমান নৃশংসতার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীদের ডাকে “মার্চ ফর গাজা” অনুষ্ঠিত হয়, যা ব্যাপক গণসমর্থন পায়।
সমাবেশের তাৎপর্য
এই সমাবেশ কেবল ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থনই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী মানবতা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে। অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি সকল নিপীড়িত মানুষের মুক্তির জন্যও তাদের সংগ্রামের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বিশ্ব নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান:
সমাবেশে বক্তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি তুলে ধরেন।
এই গণজাগরণ প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের মানুষ শুধু নিজেদের স্বাধীনতার চেতনায়ই নয়, বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের নিপীড়িত মানুষের পক্ষে সংহতিতে সর্বদা প্রস্তুত। ফিলিস্তিনের মুক্তি সংগ্রামে বাংলাদেশের মানুষের এই অকুণ্ঠ সমর্থন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে – এটাই আজকের সমাবেশের মূল বার্তা।
