রিপোর্ট: মাহবুব হোসাইন

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের বুধরাইল গ্রামে পবিত্র রমজান উপলক্ষে ১০৩টি দুস্থ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছে হাজি রইস উল্লাহ পাঁচ ভাই ফাউন্ডেশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, লন্ডন প্রবাসী সমাজসেবক এম. ডি. নানু মিয়ার নিজ বাসভবনে এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পাশাপাশি গ্রামের প্রবীণ মুরব্বি, যুবসমাজ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি পরিবারকে দুই কেজি তেল, দুই কেজি ডাল, দুই কেজি পেঁয়াজ এবং এক কেজি আলু ও ছানা প্রদান করা হয়, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। স্থানীয় প্রবীণ মুরব্বি সুনু মিয়া, আব্দুল হামিদ, আফরুজ মিয়া, রাইস মিয়া, মকদ্দুস আলী এবং মকবিল হুসেন নিজ হাতে ত্রাণ বিতরণ করেন, আর স্থানীয় যুবসমাজ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহায়তা করে।
ত্রাণ গ্রহণকারী পরিবারগুলো ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানায়, হাজি রইস উল্লাহ পাঁচ ভাই ফাউন্ডেশন শুধু রমজান নয়, বরং বছরের বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। একজন সুবিধাভোগী বলেন,
“আমাদের মতো অসহায় পরিবারগুলোর জন্য এ ধরনের সহায়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা হাজি রইস উল্লাহ পাঁচ ভাই ফাউন্ডেশনের সকল সদস্যদের জন্য দোয়া করি, কারণ তারা মানুষের কষ্ট বোঝেন ও সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
হাজি রইস উল্লাহ পাঁচ ভাই ফাউন্ডেশন মরহুম হাজি রইস উল্লাহ স্মরণে তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিষ্ঠা করেছেন। এর মূল লক্ষ্য হলো সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষদের সহায়তা প্রদান করা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফাউন্ডেশনটি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং বর্তমানে এটি একটি সুপরিচিত দাতব্য সংস্থায় পরিণত হয়েছে। যার অন্যতম সদস্যরা হলেন আফরুজ মিয়া, আঙ্গুর মিয়া, সামির উদ্দিন, এম. ডি. নানু মিয়া, কোয়েস মিয়া, সুরুজ মিয়া, সুনু মিয়া, হাসান মিয়া, রুমেন মিয়া, জাবেদ আহমেদ, রায়হান মিয়া, জুবেদ আহমেদ, সিয়াম আহমেদ, বেলাল আহমেদ, মুরসিল আহমেদ, জাহিদ আহমেদ, হুসাইন আহমেদ, মারুফ আহমেদ, সালেম আহমেদ, হাবিব আহমেদ, মাহাবুব আহমেদ, মানুন আহমেদ ও সাহিদ আহমেদ।

ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দরিদ্র জনগোষ্ঠী আরও বেশি উপকৃত হতে পারে।
