জামিল আহমেদ, লন্ডন থেকে

ESSEX Southend জামে মসজিদে গত ২৬শে মার্চ, বুধবার পবিত্র লাইলাতুল কদর (শবে কদর) উপলক্ষে হাজারো মুসল্লির সমাবেশে বিশেষ ইবাদত-বন্দেগী ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা মাহমুদুল হাসান** এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে শবে কদরের ফজিলত, তাৎপর্য ও রাত জাগরণের গুরুত্ব নিয়ে জ্ঞানগর্ভ বয়ান পেশ করেন।
Southend- FIRST ইসলামিক স্কুল ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ঘোষণা
এই ঐতিহাসিক রাতে একটি যুগান্তকারী ঘোষণা দেওয়া হয়— Southend’s First Islamic School & Madrasah প্রতিষ্ঠার জন্য ১.৫ মিলিয়ন ফাউন্ডের বাজেটের একটি মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় মুসলিম শিশু কিশোর দের জন্য আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন-হাদীসভিত্তিক ইসলামিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটাবে। ইতিমধ্যেই মুসল্লিদের অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া মিলেছে এবং প্রায় ২৮০ হাজার ফাউন্ডের কমিটমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। যেহেতু প্রকল্পটি ব্যাপক আকারের, তাই ভবিষ্যতেও ক্রমাগত তহবিল সংগ্রহ (Fundraising) অব্যাহত থাকবে।
সবুজ বাংলার সংগঠনের ঐতিহ্যবাহী সেহরি আয়োজন!
Southend-এর প্রাচীনতম ও সক্রিয় বাঙালি সংগঠন “সবুজ বাংলা” প্রতি বছরের মতো এবারও শবে কদরের রাতে মুসল্লিদের জন্য মুখরোচক সেহরি পরিবেশনের আয়োজন করে। তাদের এই উদ্যোগ স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক
এই আয়োজনগুলো ESSEX Southend-এর মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, শিক্ষাগত ও সামাজিক অগ্রগতিতে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। বিশেষত, ইসলামিক স্কুল ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ভবিষ্যতে এখানে ইসলামিক শিক্ষার প্রসার এবং নতুন প্রজন্মের সুন্দর নৈতিক-আধ্যাত্মিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সকলেই আশাবাদী।
স্থানীয় মুসলিম নেতৃবৃন্দ, সংগঠক ও সাধারণ মুসল্লিগণ এই প্রকল্পের সফলতা কামনা করে চলেছেন এবং Southend-এ ইসলামিক শিক্ষার নতুন অধ্যায়ের সূচনায় অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
