প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

আল-জাজিরার প্রতিবেদন-বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা পণ্যের ওপর অস্বাভাবিক হারে নতুন শুল্ক আরোপ করলেও তা ৯০ দিনের জন্য তা স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে চীনের ওপর আরোপিত শুল্ক বহাল রেখেছেন। এতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। কখনও আমেরিকা শুল্ক চাপিয়ে চীনের অর্থনীতিতে আঘাত হানছে, কখনও তার জবাবে আমেরিকান পণ্যের উপর শুল্কের পরিমাণ বৃদ্ধি করছে চীন! তার মধ্যেই বেইজিং জানাল, গত মাসে তাদের রফতানি ২০২৪ সালের মার্চ মাসের তুলনায় ১২.৪ শতাংশ বেশি।যার বেশির ভাগই তারা রফতানি করেছে আমেরিকাতে। এছাড়া ২০২৪ সালের হিসাবে চীনের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি অনেক।এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ২০২৪ সালে চীনে ১৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, এতে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ২৯৫ বিলিয়ন (২৯ হাজার ৫০০ কোটি) ডলার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘাটতি কমাতে চীনের ওপর নজিরবিহীনভাবে ১৪৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন।যার পাল্টা মার্কিন পণ্যের ওপর ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ‘শেষ পর্যন্ত লড়তে’ প্রস্তুত এবং যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম লঙ্ঘন করছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে- ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুল্কযুদ্ধে চীন কি মার্কিন ঋণ ব্যবহার করতে পারবে। আর পারলেও সেটি কতটুকু প্রভাব ফেলবে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে চীনের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে মার্কিন ঋণ। চীন মার্কিন ঋণ বা ট্রেজারির দ্বিতীয় বৃহত্তম ধারক; যার পরিমাণ ৭৬০ বিলিয়ন (৭৬ হাজার কোটি) ডলার। আর প্রথম অবস্থানে রয়েছে জাপান; যার দখলে রয়েছে এক ট্রিলিয়ন (১ লাখ কোটি) ডলারের ঋণ। তবে এই মার্কিন ঋণকে কাজে লাগাতে পারে চীন। যা প্রভাব ফেলবে মার্কিন অর্থনীতিতে।
