আপডেট: সোমবার, ০৪ আগস্ট, ২০২৫

রিপোর্ট: মাহবুব হোসাইন: সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ৭নং সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের ইসলামপুর (ব্রাহ্মণগাঁও) গ্রামের কুখ্যাত ডাকাত নজরুল ইসলাম, সে বর্তমানে জেলে থাকলেও গ্রামের অসাধু একটি মহলের পৃষ্ঠপোষকতায় তার সহযোগীরা হিংস্র হয়ে উঠছে অপরাধমূলক কাজ যেমন জায়গা দখল মাদক অস্ত্র সহ ইসলামপুর (ব্রাহ্মণ গাও) গ্রামের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করার জন্য একটি মহলের সহায়তায় গ্রামবাসীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, নজরুল ইসলাম ইসলামপুর গ্রামের মৃত ওয়ারিশ উল্লার ছেলে এবং দীর্ঘদিন থেকে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক, অস্ত্র ব্যবসা ও অন্যান্য অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত , সে শুধু এই এলাকাতেই নয় সিলেট বিভাগেও চিহ্নিত সশস্ত্র নামধারী একজন ডাকাত তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ছিনতাই খুন অস্ত্র সহ একাধিক মামলা রয়েছে, এবং সে পূর্বেও একাধিকবার জেল কাটিয়েছে। জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর সে আবার একই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, যা এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
এখনো তার ভাই মুজিব গং এবং সহযোগীরা গ্রামের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে যাচ্ছে, বর্তমানে জেলে থেকেও নজরুল ইসলাম গ্রামবাসীদের হুমকি দিচ্ছে যদি কেউ তার কাজে বাধা দেয় বা তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়, তবে সে গ্রামবাসীদের একে একে দেখে নিবে। এই হুমকির কারণে গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য বিগত ৮ই মার্চ ২০২৫, শনিবার, গ্রামবাসী এই সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকের আয়োজন করে। বৈঠকে নজরুল ইসলাম হুমকি-ধমকি দেয়ার সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে নজরুল ইসলামকে খুঁজছিল এবং গোপন সূত্রের মাধ্যমে তার অবস্থানের খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ এই অভিযান চালায় ।পুলিশ তাকে নিয়ে যাওয়ার সময় তখন গ্রামের সালিশি বৈঠক চলছিল, তখনই তার সহযোগীরা ওতর্কিতভাবে গ্রামের সালিশি বৈঠকের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে, পুলিশ উপস্থিত থাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি, সে সময় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক সংক্রান্ত মামলা বিভিন্ন থানায় রয়েছে, সে নজরুল ডাকাত নামেই পরিচিত, সে শুধু এই এলাকাতেই নয় এই বৃহত্তর এলাকার জন্য হুমকি বলে অনেকেই মনে করেন। তাকে গ্রেফতারের পর ব্যাপক সংখ্যক গণমাধ্যম এই খবরটি প্রচার করে।
কুখ্যাত ডাকাত নজরুল ইসলামের জেলে থাকার মাধ্যমে এলাকাবাসী আশা করেছিল যে, তাদের এলাকা ডাকাতি ও মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে এবং শান্তি ফিরে আসবে। কিন্তু তা না হয়ে তার সহযোগীরা এখন তৎপর হওয়াতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, গ্রামের নিরীহ মানুষ প্রত্যাশা করে যে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যেন প্রশাসনিকভাবে ওদেরকে প্রতিহত করে, অন্যথায় ইসলামপুর (ব্রাহ্মণ গাঁও গ্রামে) হিংস্র ডাকাতদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে পারে বলে গ্রামের নিরীহ মানুষ মনে করেন।

